জেলা পর্যায়ে শিশু-কেন্দ্রিক সামাজিক সুরক্ষা কর্মশালা তারিখ: ১৭ নভেম্বর ২০২৫ | স্থান: জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, চট্টগ্রাম
মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও সুপারিশ সংগ্রহ করা, যাতে ২০২৬ সালে শেষ হতে যাওয়া জাতীয় সামাজিক সুরক্ষা কৌশল (NSSS)‑এর শিশু অংশকে শক্তিশালী করা যায়।
টার্গেটিং ও অন্তর্ভুক্তি ত্রুটি: উপকারভোগীর তালিকায় অযোগ্য ব্যক্তির অন্তর্ভুক্তি; ঝুঁকিপূর্ণ মা ও শিশু বাদ পড়া।
ভাতা বিতরণে বিলম্ব: মোবাইল ফাইন্যান্স (বিকাশ/নগদ) জটিলতায় ২–৩ মাস বিলম্ব।
কভারেজ ঘাটতি: কিশোরী মা, এনআইডি‑বিহীন মা, প্রতিবন্ধী শিশু বাদ পড়া।
প্রাতিষ্ঠানিক সীমাবদ্ধতা: জনবল সংকট, বাজেট ঘাটতি, অতিরিক্ত ভিড়।
স্থায়ী ঝুঁকি: শিশুশ্রম, বাল্যবিবাহ, পাচার, মাদকাসক্তি, পথশিশু।
MIS/ডাটাবেস শক্তিশালী করা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার জন্য।
ভাতা ও কভারেজ বৃদ্ধি; ব্যাংকভিত্তিক বিতরণ পুনর্বিবেচনা।
শিশু স্বাস্থ্যবীমা ও প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য থেরাপি সেন্টার চালু।
প্রতিটি উপজেলায় খেলার মাঠ ও বিনোদন সুবিধা নিশ্চিত করা।
সচেতনতা কার্যক্রমে শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ত করা।
বিধবা ভাতা বৃদ্ধি ও ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের সহায়তা জোরদার।
সংবিধানের ধারা ১৫(ডি), ১৮(১) শিশু অধিকার নিশ্চিত করে।
বর্তমান বরাদ্দ: শিশুদের জন্য মাত্র ২%, বৃদ্ধদের জন্য ৩৫%।
প্রারম্ভিক বিনিয়োগ (০–৫ বছর)‑কে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান।
SDG 1.3 অনুযায়ী সামাজিক সুরক্ষা ফ্লোর ও শিশুদের আয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
দুর্যোগ প্রতিরোধ, জলবায়ু সহনশীলতা ও ন্যায়ভিত্তিক টার্গেটিং জোরদার করা।
উপসংহার: বাংলাদেশের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির কেন্দ্রে শিশুদের রাখতে হবে। প্রারম্ভিক বিনিয়োগ, শক্তিশালী শাসনব্যবস্থা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক টার্গেটিং আগামী NSSS‑কে আরও কার্যকর ও শিশু‑বান্ধব করবে।